মূল বিষয়বস্তুতে যান

CooLWJ-এ খুঁজুন

选择搜索范围,输入关键词后按回车。

ভাষা

এপ্রিকট ফুলের বৃষ্টি পোশাক ছুঁয়ে ভেজাতে চায়, উইলোর বাতাস মুখে লাগে, তবু শীত লাগে না।

চতুষ্পদী · পুরোনো গাছের ছায়ায় ছোট ছাউনিওয়ালা নৌকা বাঁধি

সোং যুগ・ঝিনান

古木阴中系短篷,杖藜扶我过桥东。(পুরোনো গাছের ছায়ায় ছোট ছাউনিওয়ালা নৌকা বেঁধেছি, চেনোপোডিয়ামের লাঠি ভর দিয়ে সেতুর পূর্বপারে যাই।)

এপ্রিকট ফুল ফোটার বৃষ্টি পোশাক ছুঁয়ে ভিজিয়ে দিতে চায়, উইলোর হাওয়া মুখে লাগে, তবু শীত লাগে না।

কাব্যের অনুভব বয়ে চলুক

কবিতার আবহের অ্যানিমেশন

অ্যানিমেশনের বিষয়বস্তু মূল চীনা সংস্করণে রাখা হয়েছে।

অ্যানিমেশন প্রস্তুত।

AI দিয়ে আঁকা ছবি

অনুবাদ

পুরোনো গাছের ছায়ায় ছোট ছাউনিওয়ালা নৌকাটি বেঁধে, চেনোপোডিয়ামের কাঠের লাঠিতে ভর দিয়ে সেতু পেরিয়ে পুব দিকে যাই।খুবানি ফুল ফোটার ঋতুর ঝিরিঝিরি বৃষ্টি যেন পোশাক ভিজিয়ে দিতে চায়; উইলো ছুঁয়ে আসা বসন্তের বাতাস মুখে লাগলেও আর ঠান্ডা লাগে না।

টীকা

短篷:ছোট নৌকার ছাউনি, তা দিয়ে ছোট নৌকাকেই বোঝানো হয়েছে।杖藜:বাথুয়া-জাতীয় গাছের কাঠের লাঠি।扶我:আমাকে ধরে রাখে—লাঠিকে স্নেহময় সঙ্গীর মতো দেখানো হয়েছে।

杏花雨:খুবানি ফুল ফোটার সময়ের বসন্তবৃষ্টি।杨柳风:উইলোর ডাল মেলার সময়ের বসন্তবাতাস।欲湿:ভিজবে ভিজবে, এখনও ভেজেনি, বৃষ্টির সূক্ষ্মতা বোঝায়।

রচনার পরিচিতি

রচনা-পরিচয়:এই চার চরণের কবিতায় কবি নৌকা ছেড়ে হাঁটার সময় বসন্তের বাতাস ও বৃষ্টি অনুভবের মুহূর্ত লিখেছেন। মানুষ, পথ ও স্পর্শানুভব একে একে প্রকাশিত হয়;শেষে ফুল ও গাছের নামে বাতাস-বৃষ্টিকে ডেকে ঋতুর বৈশিষ্ট্য ও শরীরের অনুভব এক করে দেওয়া হয়েছে।

রসাস্বাদন ও বিশ্লেষণ

প্রথম দুই পঙ্‌ক্তিতে কাজ খুব কম, তবু স্থির নোঙর থেকে হাঁটতে বেরোনোর পরিবর্তন স্পষ্ট। “杖藜扶我”—‘চেনোপোডিয়ামের লাঠি আমায় ধরে’—সাধারণ কথার ক্রম উল্টে দেয়; লাঠি যেন স্নেহময় সহযাত্রী।

শেষ দুই পঙ্‌ক্তি উজ্জ্বল রঙের বাহারে জয়ী হতে চায় না,বরং পোশাক প্রায় ভিজে ওঠা ও মুখে শীত না লাগার সূক্ষ্ম অনুভূতি লেখে। ফলে বসন্তের কোমলতা শরীর দিয়ে সরাসরি অনুভব করা যায়,স্বচ্ছ উজ্জ্বলতার মধ্যেও সংযত ইঙ্গিত থাকে।

মন্তব্যের বিভাগ

পাঠানো হচ্ছে

কবিতা থেকে,গল্পের ভুবনে পা রাখুন

কবিতা থেকে উদ্ভূত উপন্যাস

প্রাচীন পটভূমিতে সমাজজীবনের কাহিনি

ছোট ছইয়ের নিচে বৃষ্টি শোনা

নতুন সেতু তৈরি হলে সবাই বলল, এখন থেকে যাতায়াত সহজ হবে, কিন্তু বৃদ্ধা ইয়াও তখনও পায়জামার পা গুটিয়ে জলে নেমে তোফু পৌঁছে দেন। হুইশিং তাকে বোঝাতে না পেরে তোফুর কারখানায় সাহায্য করতে গেল; এক বালতি সয়াবিন পিষে নষ্ট করেও তাকে সেতুর ওপর আধ পা-ও তুলতে পারল না। হুইশিং স্মারকলিপির প্রতিটি অক্ষর চেনে, কিন্তু বৃদ্ধা ইয়াও যেন তাকিয়ে থাকেন তার ফাঁকা জায়গার দিকে। বসন্তের বৃষ্টি আসছে, গ্রামের লোকেরা পুরোনো খেয়াঘাটের কাঠের খুঁটিগুলোও তুলে ফেলতে চায়।

পড়া শুরু করুন

AI-এর সহায়তায় রচিত · চরিত্র ও ঘটনাপ্রবাহ কাল্পনিক

জনপ্রিয় কবিতা

আপনার থিম বাছুন

আপনার থিম পুরো সাইটে প্রযোজ্য হবে।