পরিবেশনা এক · পুরুষকণ্ঠ
4:42অডিও আপাতত চালানো যাচ্ছে না, কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করুন।

চীনা প্রাচীন আবহের আবেগঘন সংগীত · AI সংগীত সৃষ্টি
কু উজি · AI সংগীত · ৪ বার পড়া হয়েছে
উ ওয়েনইংয়ের 《浪淘沙·九日从吴见山觅酒》 থেকে ভাব নেওয়া। দ্বৈত নবমী উৎসবে খালি সুরাপাত্র হাতে উঁচুতে উঠে মদ খোঁজা, ভ্রুর মতো দূর পাহাড় আর উঁচু স্থানের বিষণ্ণতা; চন্দ্রমল্লিকাকে শীর্ণ সুন্দরীর মতো দেখা, সবুজ পানপাত্র ধুয়ে শিশিরভেজা কুয়োর জল তোলা, আলতো করে নবম মাস নিবেদন করা; কালো টুপিতে তুষার, প্রবল হাওয়া—শরতের রং আর বুনোহাঁসের ডাকে জাগা সমস্ত বিষাদ শেষে অস্তসূর্যের আলোয় ডুবে যায়। একই কথা পুরুষ ও নারী কণ্ঠে গাওয়া হয়েছে।
কৃশ স্নিগ্ধ চন্দ্রমল্লিকা যেন কার মুখের আদল
সবুজ পেয়ালা ধুয়ে তাতে রাখি এক আঁজলা মৃদু সুবাস
নিচে গানের একটি সংস্করণ বেছে নিন,এই কবিতাটি পড়া শেষ করা পর্যন্ত সুর থাকুক আপনার সঙ্গে।
একই কাব্যভাব, ভিন্ন প্রতিধ্বনি
বেছে নেওয়ার জন্য ২টি গান
প্লেলিস্টে যোগ করুন, অন্য পাতা দেখার সময়ও শুনতে পারবেন, তালিকার সব গান ক্রমানুসারে বাজানো শেষ হলে থেমে যাবে।
অক্ষরে অক্ষরে গান
[সূচনা]
[স্তবক 1]
চান্দ্র নবম মাসের নবমীর এই দিনে
মদের সুবাস অনুসরণ করে পাহাড়ের ঢালে উঠি
দূরের পাহাড় কার কাজলরাঙা ভুরুর মতো
ফিকে আঁচড়ে দূরের দিকে আঁকা
পাহাড়ি পথে যত এগোই ততই খাড়া হয়
মানুষের বসতি ক্রমেই শীতল হয়ে আসে
[ধুয়ার পূর্বপর্ব]
উঁচুর হাওয়া কোনো যুক্তি মানে না
এমন বয় যে মন অস্থির হয়
[ধুয়া]
কৃশ স্নিগ্ধ চন্দ্রমল্লিকা যেন কার মুখের আদল
সবুজ পেয়ালা ধুয়ে তাতে রাখি এক আঁজলা মৃদু সুবাস
খোলা আকাশের নিচের কুয়োর জলে আকাশের আলো প্রতিফলিত হয়
নবম মাসকে আলতো করে নিবেদন করি
শরতের রং আর রাজহাঁসের ডাকে কতবার বিষাদ জেগেছে
সবই ডুবে যায় অস্তসূর্যের আলোয়
[স্তবক 2]
কালো টুপির নিচে লুকিয়ে আছে পাকা চুল
প্রতিটি চুল যেন উ দেশের তুষার
হাওয়ার জোর যেন ইচ্ছে করেই এত উন্মত্ত
মদের দোকানের পতাকা তির্যক হয়ে উড়ছে তার ঝাপটায়
বুকের কাছে শূন্য কলসিটি আগলে রাখি
কখনও গভীর কখনও অগভীর পা ফেলে এগিয়ে যাই
[ধুয়ার পূর্বপর্ব]
পাহাড়চূড়ার পানশালায় এসে পৌঁছেছি
নতুন মদের এক পেয়ালা মন উষ্ণ করে
[ধুয়া]
কৃশ স্নিগ্ধ চন্দ্রমল্লিকা যেন কার মুখের আদল
সবুজ পেয়ালা ধুয়ে তাতে রাখি এক আঁজলা মৃদু সুবাস
খোলা আকাশের নিচের কুয়োর জলে আকাশের আলো প্রতিফলিত হয়
নবম মাসকে আলতো করে নিবেদন করি
শরতের রং আর রাজহাঁসের ডাকে কতবার বিষাদ জেগেছে
সবই ডুবে যায় অস্তসূর্যের আলোয়
[যন্ত্রসংগীত]
[স্তবক 3]
গত বছরও এই দিনই ছিল
এমনই হলুদে ভরা ছিল গোটা পাহাড়
এই উৎসব বছরে মাত্র একবার
মানুষের মিলন বিচ্ছেদ অনিশ্চিত
পশ্চিমের ঘর বহুদিন ধরে খালি
আজ রাতের প্রদীপ কার জন্য জ্বলে
[সেতুপর্ব]
মাথার ওপর দিয়ে বুনোহাঁসের ডাক ভেসে যায়
একেকটি ডাক আগেরটির চেয়ে দীর্ঘ
তার কাছে একটু সংবাদ চাইতে ইচ্ছে করে
সে বলে দুঃখ সব অস্তরাগে লুকানো
কতখানি দুঃখ জিজ্ঞেস করতে নেই
সব মদের সঙ্গে গিলে নাও কাউকে বোলো না
পাহাড় অস্তসূর্যকে ধরে রাখে
আমি এক পেয়ালা নিবেদন করি অসীম বিস্তারে
[স্তবক 4]
পাহাড় থেকে নামার সময় সন্ধ্যা হয়ে গেল
হাতার কিনারে এখনও চন্দ্রমল্লিকার গন্ধ
আগামী বছরের নবম চন্দ্রমাসের নবম দিনে
জানি না পাশে কে থাকবে
তবে সবুজ পানপাত্রটি আমি ধুয়ে পরিষ্কার করব
আগামী বছরের আশার এক পাত্র গরম করি
[শেষ ধুয়া]
কৃশ স্নিগ্ধ চন্দ্রমল্লিকা যেন কার মুখের আদল
সবুজ পেয়ালা ধুয়ে তাতে রাখি এক আঁজলা মৃদু সুবাস
খোলা আকাশের নিচের কুয়োর জলে আকাশের আলো প্রতিফলিত হয়
নবম মাসকে আলতো করে নিবেদন করি
শরতের রং আর রাজহাঁসের ডাকে কতবার বিষাদ জেগেছে
সবই ডুবে যায় অস্তসূর্যের আলোয়
[সমাপ্তি]
শরতের রং ধীরে ধীরে অন্ধকার হয়
বুনোহাঁসের ডাকও অস্তরাগে ডুবে যায়
ধ্রুপদি চীনা কবিতার ভাবলোক ও মৌলিক গীতিকথা · AI দিয়ে সংগীত সৃষ্টি
নিচে গানের কথার অনুবাদ দেওয়া হয়েছে;রেকর্ডিংয়ে মূল পরিবেশনাই রয়েছে,অডিও নতুন করে তৈরি করা হয়নি।

কু উজি · AI সংগীত
অডিও আপাতত চালানো যাচ্ছে না, কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করুন।
অডিও আপাতত চালানো যাচ্ছে না, কিছুক্ষণ পরে আবার চেষ্টা করুন।
মন্তব্যের বিভাগ
মন্তব্য লোড হচ্ছে…
কিছু বলতে চান?মন্তব্য করতে লগইন করুন →