কবিতার ভেতরের গল্প
বসন্তের নদীতে পুরোনো প্রদীপ
কু উজি · AI-সৃষ্ট রচনা · প্রাচীন পটভূমিতে যাত্রাপথ ও সমাজজীবন নিয়ে দীর্ঘ উপন্যাস · সমাপ্ত · ৩৬টি অধ্যায় · ৬ বার পড়া হয়েছে
বসন্তের জোয়ার পুরোনো ফেরিঘাট পর্যন্ত উঠেছে, আ ঝাও এখনো বাবার রেখে যাওয়া নৌকা বিক্রি করতে পারেনি। সূচসুতো গুছিয়ে শহরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে হিসাবখাতার শেষ পাতায় সে দেখতে পেল নামহীন একটি প্রদীপের ঋণ। একটি পুরোনো প্রদীপের সূত্র ধরে নদীতীর ধরে যেতে যেতে তার দেখা হলো ষোলো বছর না-ফেরা মেয়ে আর প্রতি বছর প্রদীপ ধার নেওয়া মায়ের সঙ্গে; নিজের আগে থেকে গুছিয়ে রাখা যাওয়ার পথও ধীরে ধীরে অন্য তীরের যাত্রাগানের শব্দে আটকে পড়তে লাগল।
এই বইটি AI-এর সহায়তায় রচিত, ঝাং রুওশুর 《春江花月夜》 এবং মৌলিক ছোটগল্প 《借灯还舟》 অবলম্বনে সম্প্রসারিত। চরিত্র, ভূগোল ও ঘটনা সবই কাল্পনিক; এটি মূল কবিতার অনুবাদ বা পুনর্লিখন কিংবা কবির জীবনী নয়।
রচনার সূচিপত্র
৩৬টি অধ্যায় · সম্পূর্ণ লেখা প্রস্তুত- নৌকার তিন দর
- তামার ফলক আর খালি খেয়া
- বাতির দোকানের সেই জানালা
- বাঁশের বাক্সের ভেতর পথ
- জলপথের দুই পর্ব
- যে সেলাই খোলে
- মঞ্চের পোশাক আর গায়ের পোশাক
- ঢোলের পাশের খালি জায়গা
- বাতি ফিরে এল দোকানের তাকে
- যে নামে আগেই সংসার পাতা হয়েছে
- নানথাংয়ের নতুন পালা
- নবম দিনের নৌকার টিকিট
- দরজার ভেতর এক ডাঁটি পেঁয়াজপাতা
- রাতে জানলাটা কে বন্ধ করবে
- সেলাই খুলে শেষ না-করা দুই ছি কাপড়
- নৌকা ভাড়া দেওয়ার পনেরো দিন
- খাটের একটি তক্তার শব্দ
- হাতার ঘের আরেকবার খোলা
- চতুর্থ মাসের জোয়ার
- মঞ্চের নিচ থেকে দেখা গোটা এক অঙ্ক
- দ্বিতীয় বেলার খাওয়া লানথিংয়ে
- ছোট জুতোর দাম
- পর্দার পেছন দিয়ে হাওয়া যায়
- মন্দিরের আসর জলের ধারে সরল
- বাতিল হয়ে যাওয়া একটি পালা
- মানুষকে ধরে রাখার ফোঁড়
- নৌকার গলুইয়ে দুটো ফলক
- বাচ্চাটা কি সঙ্গে যাবে
- সেই নৌকার টিকিট নেবে না
- গরমে পুরোনো নাটকের নতুন মহড়া
- দেখে তবেই জবাব
- পোশাকটা মানুষের হাতে তুলে দেওয়া
- বাতির আলমারির একটি পাল্লা খোলা থাক
- আরেকবার নদী পার
- শরতের পালার শেষ সুতো
- বাতি সারা রাত জ্বালিয়ে রাখতে হয় না
মন্তব্যের বিভাগ
মন্তব্য লোড হচ্ছে…
কিছু বলতে চান?মন্তব্য করতে লগইন করুন →